নওগাঁ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সামসুজ্জোহা খানের পরাজয়ের পেছনে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক দুর্বলতা, সক্রিয় নেতাদের দূরে সরিয়ে রাখা এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে প্রচারণা চালানোর মতো তিনটি মূল কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী এনামুল হক সক্রিয় প্রচারণা চালিয়ে এবং দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল না থাকার কারণে প্রথমবারের মতো জয় লাভ করেন। এনামুল হক ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে সামসুজ্জোহা খানকে ৬ হাজার ৯৩৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
এদিকে নির্বাচনের পর স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা দেখা দেয়। নওগাঁর নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে সামসুজ্জোহা খানের সমর্থক ও খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী সমর্থকদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা বাহিনী তৎপর হন এবং আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা বলছেন, নির্বাচনের আগে দলের অভ্যন্তরীণ অসঙ্গতি ও বহিষ্কৃত নেতাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে অনেক কর্মী প্রচারণায় অংশ নেননি। এছাড়া দলের কিছু বিতর্কিত নেতাকে প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত করার অভিযোগও উঠেছে, যা দলের ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপি নওগাঁ-২ ছাড়া বাকি পাঁচটি আসনে জয় লাভ করেছে। তবে এই ফলাফলে জেলার বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।


